বিশেষ প্রতিবেদক
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) তাদের এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক সেপ্টেম্বর ২০২৬ সংস্করণে জানিয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে আনুমানিক ৩.৭ শতাংশ, যা জুলাইয়ের পূর্বাভাসের সমান। তবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস জুলাইয়ের ৪.৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪.০ শতাংশ করা হয়েছে। একই সময়ে গড় মূল্যস্ফীতি ৮.৮ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৯.০ শতাংশ ধরা হয়েছে। অন্যদিকে, ভারতের ভালো প্রবৃদ্ধির ওপর ভর করে পুরো দক্ষিণ এশিয়ার প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ২০২৬ সালের জন্য বাড়ানো হয়েছে।
বাংলাদেশ: ২০২৫-২৬ অর্থবছরের চিত্র
এডিবির হিসাবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে (৩০ জুন ২০২৬-এ সমাপ্ত) প্রবৃদ্ধি ৩.৭ শতাংশ, আগের অর্থবছরের ৩.৫ শতাংশের চেয়ে সামান্য বেশি। বছরের মধ্যে গতি অবশ্য কমেছে। প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০২৫) প্রবৃদ্ধি ছিল ৫.০ শতাংশ, দ্বিতীয় প্রান্তিকে ৩.০ শতাংশ এবং তৃতীয় প্রান্তিকে ২.২ শতাংশ। এর প্রধান কারণ উৎপাদন খাতের দুর্বলতা।
খাতভিত্তিক চিত্র:
- কৃষি: প্রবৃদ্ধি বেড়ে ২.৬ শতাংশ হয়েছে (আগে ২.৪%)। বন্যাজনিত ক্ষতির পর ফসল উৎপাদন ঘুরে দাঁড়িয়েছে।
- সেবা: ৪.৫ শতাংশ (আগে ৪.৪%)। শক্তিশালী রেমিট্যান্স এবং বাণিজ্য ও পরিবহনসহ অভ্যন্তরীণ সেবা এতে ভূমিকা রেখেছে।
- শিল্প: কমে ২.৮ শতাংশ হয়েছে (আগে ৩.৭%)। দুর্বল বৈদেশিক চাহিদা, জ্বালানি ও কাঁচামালের উচ্চ ব্যয় এবং কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতা রপ্তানিমুখী উৎপাদনকে চাপে ফেলেছে।
চাহিদার দিকে ভোগ বৃদ্ধি দুর্বল হয়েছে, বিনিয়োগ নিম্নমুখী রয়েছে এবং নিট রপ্তানি প্রবৃদ্ধিতে আরও বড় নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। রেমিট্যান্স শক্তিশালী থাকলেও উচ্চ মূল্যস্ফীতি পরিবারগুলোর প্রকৃত ব্যয় সীমিত করেছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) ধীর বাস্তবায়নও সরকারি বিনিয়োগ সীমিত করেছে।
মূল্যস্ফীতি: কমলেও উচ্চ
গড় মূল্যস্ফীতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ১০.০ শতাংশ থেকে কমে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৮.৭ শতাংশ হয়েছে। জুন ২০২৬-এ খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৮.১ শতাংশ (এক বছর আগে ১০.৭%) এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯.২ শতাংশ (এক বছর আগে ৯.৫%)। এডিবির মতে, জ্বালানি, আমদানি ও প্রশাসনিকভাবে নির্ধারিত দাম বাড়ায় খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি উচ্চ রয়েছে। অর্থবছরের শেষদিকে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়েছে।
আর্থিক খাত ও মুদ্রানীতি
বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৫-২৬ অর্থবছর জুড়ে নীতি সুদহার ১০.০ শতাংশে রেখেছিল। পরে ২ আগস্ট ২০২৬ থেকে রেপো রেট ১০.০ থেকে কমিয়ে ৯.৫ শতাংশ করা হয়েছে। স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি রেট ১১.৫ থেকে ১১.০ শতাংশে নামানো হয়েছে এবং স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি রেট ৭.৫ শতাংশেই রয়েছে। তবে ব্যাংক খাতের চাপ ও নীতির দুর্বল প্রভাবের কারণে বেসরকারি ঋণে দ্রুত পুনরুদ্ধার সীমিত থাকবে বলে এডিবি মনে করছে।
জুন ২০২৬-এ বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল ৪.৫ শতাংশ, এক বছর আগে ছিল ৬.৫ শতাংশ। সরকারি খাতে ঋণ বেড়েছে ৩০.৪ শতাংশ (আগে ১৩.১%)। রাজস্ব ঘাটতি এর পেছনে কারণ। এতে ব্রড মানি প্রবৃদ্ধি ৭.০ থেকে ১১.১ শতাংশে উঠেছে। কিছু ব্যাংকের তারল্য সংকটও উল্লেখ করেছে এডিবি।
রাজস্ব: লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে পিছিয়ে
সংশোধিত বাজেটে ঘাটতির লক্ষ্য ছিল জিডিপির ৩.৩ শতাংশ। কিন্তু বাস্তব ফল লক্ষ্য থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে আলাদা হতে পারে বলে এডিবি মন্তব্য করেছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আদায় ১২.০ শতাংশ বেড়েছে, কিন্তু সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ৮২.৬ শতাংশ অর্জিত হয়েছে। এডিপি বাস্তবায়নের হার ছিল ৬৭.৫ শতাংশ। সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ, প্রধানত ব্যাংক থেকে, জিডিপির ২.০ থেকে বেড়ে ২.৩ শতাংশ হয়েছে। বৈদেশিক অর্থায়ন ১.৬ থেকে কমে ১.০ শতাংশে নেমেছে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ঘাটতির লক্ষ্য জিডিপির ৩.৬ শতাংশ। ব্যয় ১৩.৭ শতাংশ ও রাজস্ব ১০.২ শতাংশ ধরা হয়েছে। এডিবি বলছে, নিম্ন রাজস্ব ভিত্তি ও প্রশাসনিক সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণে প্রকৃত রাজস্ব আদায় ও এডিপি বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করবে বাজেটের প্রভাব।
বাহ্যিক খাত: রেমিট্যান্সে ভর, রিজার্ভ বেড়েছে
চলতি হিসাবে ঘাটতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপির ০.০৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২৫-২৬-এ ০.৩ শতাংশ হয়েছে। রপ্তানি ০.২ শতাংশ কমেছে (আগের বছরে বেড়েছিল ৭.৭%) এবং আমদানি ১০.৫ শতাংশ বেড়েছে (আগে ১.৮%)। রেমিট্যান্স ১৭.৪ শতাংশ বেড়ে ৩৫.৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। আগের বছর বেড়েছিল ২৬.৮ শতাংশ।
বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ ২৬.৭ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ৩২.৯ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। এতে আমদানি সক্ষমতা ৪.২ থেকে বেড়ে ৪.৭ মাসে উঠেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা কেনার ফলে এটি সম্ভব হয়েছে। ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন ছিল মাত্র ০.১ শতাংশ (আগের বছর ৩.৯%)।
২০২৬-২৭ অর্থবছর: পূর্বাভাস কেন কমানো হলো
এডিবির পূর্বাভাসে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ৪.০ শতাংশ। সংস্থাটির মতে, প্রবৃদ্ধিকে সীমিত রাখবে যেসব কারণ:
- ব্যাংক খাতের চাপ: উচ্চ খেলাপি ঋণ, দুর্বল ব্যাংক ব্যালান্স শিট এবং নিরাপদ সরকারি সিকিউরিটিজের প্রতি ব্যাংকের পক্ষপাত।
- জ্বালানি ঘাটতি: অনির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ, লজিস্টিক বাধা এবং দীর্ঘ নিয়ন্ত্রক প্রক্রিয়া।
- শিল্প খাত: প্রবৃদ্ধি ৩.৩ শতাংশের পূর্বাভাস। জ্বালানি ঘাটতি, উচ্চ উৎপাদন ব্যয়, দুর্বল বৈদেশিক চাহিদা ও অনিশ্চয়তা এর কারণ।
- সেবা খাত: এখানে ৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস, রেমিট্যান্স ও দেশীয় কার্যক্রমের সামান্য উন্নতির সহায়তায়। সার প্রাপ্যতার সীমাবদ্ধতা ও আবহাওয়াজনিত ধাক্কায় কৃষি উৎপাদন প্রভাবিত হতে পারে।
ভোগ প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি থাকবে। বেসরকারি বিনিয়োগ দুর্বল থাকবে এবং নিট রপ্তানি প্রবৃদ্ধির ওপর চাপ রাখবে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি ৯.০ শতাংশে উঠতে পারে। এডিবি এর কারণ হিসেবে বলেছে, শক্তিশালী এল নিনোর বিলম্বিত প্রভাব, জ্বালানি ঘাটতির কারণে সরবরাহ-পক্ষের চাপ, উচ্চ উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয়, সম্ভাব্য জাহাজ চলাচল ব্যাঘাত এবং ধীরে ধীরে শিথিল হতে থাকা মুদ্রানীতি। তবে দুর্বল ঋণ প্রবৃদ্ধি ও মন্থর অর্থনৈতিক কার্যক্রম চাহিদাজনিত মূল্যস্ফীতির চাপ কমাবে বলেও সংস্থাটি মনে করে।
চলতি হিসাবের ঘাটতি জিডিপির ০.৬ শতাংশে পৌঁছাতে পারে, কারণ আমদানি রপ্তানির চেয়ে দ্রুত বাড়বে এবং রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি কিছুটা কমবে।
অর্থনীতির ঝুঁকি
এডিবি জানিয়েছে, ঝুঁকিগুলো নিম্নমুখী। দীর্ঘস্থায়ী মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত, উচ্চ তেলের দাম, জাহাজ চলাচলে ব্যাঘাত, বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ কঠোর হওয়া বা প্রধান বাজারে দুর্বল প্রবৃদ্ধি রপ্তানি, রেমিট্যান্স ও উৎপাদনকে আরও চাপে ফেলতে পারে। দেশের ভেতরে ব্যাংকের ব্যালান্স শিটের আরও অবনতি, ঋণ সহায়তা ব্যবস্থার সীমিত কার্যকারিতা, রাজস্ব সংস্কারে বিলম্ব এবং উন্নয়ন ব্যয়ে ঘাটতি প্রবৃদ্ধিকে দুর্বল করতে পারে। জলবায়ুজনিত ধাক্কা কৃষি ও খাদ্য সরবরাহ ব্যাহত করে মূল্যস্ফীতি উচ্চ রাখতে পারে। শক্তিশালী রেমিট্যান্স, উন্নত রিজার্ভ ও বাহ্যিক সহায়তা সুরক্ষা দিলেও এই সুরক্ষা সীমিত, তাই টেকসই সংস্কার প্রয়োজন।
দক্ষিণ এশিয়া: ২০২৬ সালে প্রবৃদ্ধি বাড়ল, ২০২৭-এ কমল
এডিবি জানিয়েছে, পুরো দক্ষিণ এশিয়ার সম্মিলিত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ২০২৬ সালে ৬.৪ শতাংশ হবে, যা জুলাইয়ের পূর্বাভাসের ৬.০ শতাংশ থেকে বেশি। ২০২৭ সালের জন্য পূর্বাভাস ৬.৫ শতাংশ, জুলাইয়ের ৬.৭ শতাংশ থেকে কম। ভারতে প্রত্যাশার চেয়ে ভালো প্রবৃদ্ধি স্বল্পমেয়াদি সম্ভাবনা বাড়িয়েছে। উচ্চ ভিত্তি ও নেপালের মারাত্মক বন্যাসহ দেশভিত্তিক ধাক্কা আগামী বছরের প্রবৃদ্ধিতে চাপ ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
অঞ্চলটির মূল্যস্ফীতির পূর্বাভাস ২০২৬ সালের জন্য ৫.৭ থেকে কমিয়ে ৫.৫ শতাংশ করা হয়েছে। ২০২৭ সালের জন্য ৪.৮ শতাংশই রাখা হয়েছে। ঝুঁকি নিম্নমুখী, মূলত মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত ও এল নিনোসহ জলবায়ু ধাক্কা ঘিরে।
দেশভিত্তিক পূর্বাভাসের সংক্ষিপ্ত চিত্র:
- ভারত: ২০২৬ অর্থবছরে (৩১ মার্চ ২০২৭-এ শেষ) ৭.০% এবং পরের অর্থবছরে ৭.১%। মূল্যস্ফীতি ৫.০% ও ৪.০%। ২০২৬ সালের প্রবৃদ্ধি জুলাইয়ের ৬.৬% থেকে বাড়ানো হয়েছে, তবে ২০২৭ সালের প্রবৃদ্ধি ৭.৩% থেকে কমানো হয়েছে। বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ আগস্ট ২০২৬-এ ৭৪০.৮ বিলিয়ন ডলার। দুর্বল বর্ষা ও এল নিনো প্রধান ঝুঁকি।
- পাকিস্তান: ২০২৬ ও ২০২৭ দুই অর্থবছরেই ৩.৭%। মূল্যস্ফীতি ২০২৬-এ ৭.১%, ২০২৭-এ বেড়ে ৮.৩% হতে পারে।
- নেপাল: ২০২৬ অর্থবছরে ৩.৯% এবং ২০২৭ অর্থবছরে ৪.১% (জুলাইয়ের ৪.৫% থেকে কম)। আগস্টের আকস্মিক বন্যার কারণে মূল্যস্ফীতি ৫.৩%-এ উঠবে।
- শ্রীলঙ্কা: দুই বছরই ৪.০%। মূল্যস্ফীতি ২০২৬-এ ৬.০%, ২০২৭-এ ৫.২%।
- ভুটান: ২০২৬-এ ৬.৫%, ২০২৭-এ ৭.২%। মূল্যস্ফীতি ২০২৬-এর জন্য ৬.৫% (জুলাইয়ের ৪.৫% থেকে বেশি)।
- মালদ্বীপ: ২০২৬-এ ১.০%, ২০২৭-এ ৩.০%। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে পর্যটন ক্ষতিগ্রস্ত।
- আফগানিস্তান: ২০২৬-এ ১.৫%। ২০২৭-এর পূর্বাভাস ৩.০% থেকে কমে ২.২%। বাণিজ্য করিডর ব্যাহত হওয়া এর কারণ।
এডিবির সর্বশেষ মূল্যায়নে বাংলাদেশের অর্থনীতির চিত্র মিশ্র। রেমিট্যান্স, বেড়ে ওঠা রিজার্ভ ও স্থিতিশীল বিনিময় হার বাহ্যিক খাতে কিছুটা সুরক্ষা দিলেও ব্যাংক খাতের চাপ, জ্বালানি ঘাটতি, দুর্বল বেসরকারি বিনিয়োগ এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতি প্রবৃদ্ধির পথে বড় বাধা হয়ে আছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ৪.০ শতাংশে সীমাবদ্ধ থাকার পূর্বাভাস দিয়ে এডিবি ইঙ্গিত দিয়েছে, শুধু আর্থিক নীতি শিথিল করলেই অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে না। এর জন্য ব্যাংক খাতের সংস্কার, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, উন্নয়ন ব্যয়ের বাস্তবায়ন এবং নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত ও জলবায়ুজনিত ঝুঁকি অব্যাহত থাকায় পুরো দক্ষিণ এশিয়ার সামনেও অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। ভারতের শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি অঞ্চলের গড় প্রবৃদ্ধিকে ধরে রাখলেও অন্য অর্থনীতিগুলোকে বহিরাগত ধাক্কা সামলে টেকসই সংস্কারের পথে এগোতে হবে।
সূত্র: এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক, সেপ্টেম্বর ২০২৬, দক্ষিণ এশিয়া অধ্যায়।
