ওয়েম্বলিতে পিছিয়ে পড়েও ইংল্যান্ডকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে স্পেন। উয়েফা নেশনস লিগের এই জয়ে নিজেদের অপরাজিত থাকার রেকর্ডটি ৩৯ ম্যাচে নিয়ে গেল তারা। তবে টানা এত ম্যাচ না হেরেও সন্তুষ্ট নন স্প্যানিশ কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। তাঁর মতে, দল চাইলে আরো নিখুঁত ফুটবল খেলতে পারে।
ইউরোপীয় দলগুলোর মধ্যে টানা এত ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ড আর কারও নেই। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে টানা ৩৭ ম্যাচ অপরাজিত থাকা ইতালিকে টপকে এই অনন্য রেকর্ড নিজেদের করে নিয়েছিল স্পেন।
দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের পর প্রথমবার মাঠে নেমেই কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েছিল ‘লা রোজা’রা। শুরুতে লামিনে ইয়ামালের গোলে স্পেন এগিয়ে গেলেও প্রথমার্ধের শেষ দিকে অ্যান্থনি গর্ডন ও হ্যারি কেইনের জোড়া আঘাতে পিছিয়ে পড়ে তারা।
তবে ইউরো ২০২৪-এর ফাইনালের পুনরাবৃত্তি দেখা গেল ওয়েম্বলিতেও। ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নদের হয়ে প্রথমে আলেক্স বায়েনা সমতা ফেরান। আর শেষ দিকে জয়সূচক গোলটি করেন সেই মিকেল ওয়ারজাবাল।
ম্যাচ শেষে স্প্যানিশ কোচ দে লা ফুয়েন্তে বলেন, ‘খেলোয়াড়দের এই প্রজন্ম যা অর্জন করছে, তা অসাধারণ। তারা প্রতিনিয়ত নিজেদের আরও উন্নত করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। পরিসংখ্যানই তাদের হয়ে কথা বলছে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘স্পেন যা করে দেখাচ্ছে, তা মোটেও সহজ নয়। ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে পরের ম্যাচটিকেও আমরা জীবনের শেষ ম্যাচ ভেবেই মাঠে নামব। এই ফুটবলাররা কখনোই থমকে যেতে চায় না।’
ম্যাচের শুরুতেই মার্ক গেহির কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে দলকে এগিয়ে দেন ইয়ামাল। ১৯ বছর বয়সী এই তরুণ উইঙ্গার আগামী মাসে প্রথমবার ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়ে বেশ ভালোভাবেই টিকে আছেন।
ইয়ামালের প্রশংসায় দে লা ফুয়েন্তে বলেন, ‘তার পারফরম্যান্স ছিল এক কথায় অসাধারণ। এমন একজন ফুটবলারকে দলে পাওয়া আমাদের জন্য সৌভাগ্যের। ম্যাচের প্রয়োজন অনুযায়ী সে নিজেকে এবং সতীর্থদের সেরাটা নিংড়ে নিতে পারে।’
