বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের নতুন কোচ হয়ে এসেছেন থমাস ডুলি। এসেই তিনি দেশের ফুটবলকে এগিয়ে নেওয়ার বড় লক্ষ্য তৈরি করেছেন। তার প্রধান ইচ্ছা, ফিফা র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশকে শীর্ষ ১৬০-এর ভেতরে নিয়ে আসা।
৬৫ বছর বয়সী এই কোচ শুক্রবার সকালে ঢাকায় পা রাখেন। পরে বিকেলে রাজধানীর একটি ক্রীড়া পুরস্কার অনুষ্ঠানে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সবার সামনে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক এই ফুটবলার নিজের দেশের হয়ে ৮১টি ম্যাচ খেলেছেন। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে তিনি দলের অধিনায়কও ছিলেন। যেকোনো দলকে বদলে দেওয়ার জন্য ডুলির বেশ নামডাক আছে। এর আগে তিনি ফিলিপাইন দলকে প্রথমবারের মতো এশিয়ান কাপে নিয়ে গিয়েছিলেন।
আজ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ডুলি জানান, বাংলাদেশের র্যাংকিংয়ের উন্নতি করাই তার প্রধান কাজ। তবে এর জন্য কিছুটা সময় লাগবে।
ডুলি বলেন, ‘আমার লক্ষ্য হলো র্যাংকিং এগিয়ে নেওয়া। ১৬০ বা ১৫০-এ যাওয়া রাতারাতি সম্ভব নয়, এটি একটি প্রক্রিয়া। বাস্তবসম্মতভাবে চিন্তা করলে, আগামীকালই সব বদলে যাবে না। তবে এক বছরের মধ্যে ১৬০-এর নিচে নামা সম্ভব।’
বাংলাদেশ দল এখন র্যাংকিংয়ে ১৮১ নম্বরে আছে। আগের কোচ হাভিয়ের কাবরেরার অধীনে দল রক্ষণাত্মক খেলত বলে অনেক সমালোচনা হয়েছে। তা ছাড়া হামজা চৌধুরী বা শামিত শোমের মতো প্রবাসী ফুটবলারদের সঙ্গে দেশের খেলোয়াড়দের মিল করিয়ে দলের সেরাটা বের করতে পারেননি তিনি। তার সময়ে বাংলাদেশ দল কখনো ১৮০-এর নিচে নামতে পারেনি।
নতুন কোচ ডুলি অবশ্য রক্ষণাত্মক নয়, বরং বল নিয়ন্ত্রণে রেখে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলাতে চান।
তিনি বলেন, ‘আমি ফুটবল খেলতে ভালোবাসি, বলের পেছনে দৌড়াতে নয়। আমি খেলোয়াড়দেরও এটাই বলছি। বলের পেছনে ছোটার মানে হলো শুধু শুধু দৌড়ানো। আমি চাই দল বল পায়ে রেখে খেলুক।’
সাফল্য পাওয়ার জন্য খেলোয়াড়দের মানসিকতা বদলানোর ওপর জোর দিয়েছেন ডুলি। তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে বড় বিষয় হলো মানসিকতা। এটি কোনো কোচিং দিয়ে শেখানো যায় না, এটি মনের ব্যাপার। আমাদের ফুটবল নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। আমরা কী করতে চাই তা ঠিকঠাক ভাবলে সফলতা আসবেই।’
