নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে পাকিস্তানপন্থী সেনা কর্মকর্তা প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসানকে সরিয়ে দেওয়ার পর ডিজিএফআই প্রধান পদেও নতুন মুখ আনল সরকার।
ডিজিএফআই মহাপরিচালক মেজর জেনারেল জাহাঙ্গীর আলমের জায়গায় নিয়োগ পেয়েছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কায়সার রশিদ চৌধুরী। একই সঙ্গে কায়সার রশিদকে পদোন্নতি দিয়ে মেজর জেনারেল করা হয়েছে।
রবিবার দুপুরে সেনাসদর থেকে এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসানের সঙ্গে ডিজিএফআই মহাপরিচালক মেজর জেনারেল জাহাঙ্গীর আলমকেও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।
সেনাবাহিনীর এ দুই শীর্ষ জেনারেলই পাকিস্তানপন্থী ও জামায়াতের অনুসারী হিসেবে সেনাবাহিনীতে পরিচিত।
এ ছাড়া ইউনূস সরকারের প্রিয়ভাজন না হওয়ায় সিনিয়র হওয়া সত্ত্বেও পদবঞ্চিত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইনুর রহমান হয়েছেন সেনাবাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ লে. জেনারেল মিজানুর রহমান শামীমের অবসরের পর শূন্য থাকা পদে নতুন নিয়োগ পেয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইনুর রহমান। এর আগে তিনি আর্টডকের জিওসি ছিলেন।
অন্যদিকে ইউনূস সরকারের বিদায়ের পর লে. জেনারেল এস এম কামরুলকে সরিয়ে তাঁর পরিবর্তে নতুন প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মেজর জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান। এর আগে তিনি ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ছিলেন।
এ ছাড়া মেজর জেনারেল জে এম ইমদাদুল ইসলামকে ৫৫ পদাতিক ডিভিশন থেকে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টাল সেন্টারে বদলি করা হয়েছে। আবার ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টাল সেন্টারের কমান্ড্যান্ট মেজর জেনারেল ফেরদৌস হাসানকে ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি করা হয়েছে।
দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে কর্মরত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. হাফিজুর রহমানকে মেজর জেনারেলে পদোন্নতি দিয়ে ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি করা হয়েছে।
