একে একে উন্মোচিত হচ্ছে ফয়েজ তৈয়বের স্বেচ্ছাচারিতা আর দুর্নীতি

একে একে উন্মোচিত হচ্ছে ফয়েজ তৈয়বের স্বেচ্ছাচারিতা আর দুর্নীতি
শেয়ার করুন

– ফিরোজ আহমেদ

 

ফয়েজ তৈয়ব আহমেদ কিংবা তার মত অনেকেই এই জাতীয় কথা প্রায়শই বলেন, মুখ খুললে নাকি অনেক ভদ্রলোকের অন্তর্বাস উন্মুক্ত হয়ে যাবে!

 

কখনোই তারা কেন মুখ খোলেন না? এই মুখ না খোলার শর্তে তারা কী পান?

আমারা তো তাদের চাই, যারা শুধু কাজ করেন না, দেশের অগ্রগতিকে কেউ ঠেকিয়ে রাখলে মুখও খোলেন।

 

আমি একটা বিষয় বলতে পারি, কাগজ নিজের চোখে দেখেছি বলে। বাংলাদেশে অন্তবর্তী আমলে কয়েক হাজার কোটি টাকায় বহুগুন বেশি দামে সফটওয়ার কেনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল, সেই কেনার চুক্তি নিয়ে দেশের শীর্ষ বিশেষজ্ঞরা এবং অভিজ্ঞ সফটওয়ার উদ্যোক্তারা বলেছেন, আগামী বহু বছর ধরে দেশী সফটওয়ার প্রকৌশলীদের কর্মসংস্থান ধ্বংস হবে। এই কেনাকাটা কতদূর কি এগিয়েছে, তার বিস্তারিত আর জানা যায়নি এই গোপনীয়তার বেড়াজালের জন্য।

এআই এর কারণে এই খাতটি সামনে সঙ্কুচিত হয়ে যেতে পারে, ফলে প্রয়োজন ছিল বিশেষজ্ঞ ও অর্থনীতির গতিপথ বোঝা মানুষদের নিয়ে একটা নীতি নির্ধারণ। কিন্তু এই সফটওয়ারগুলো কেনা হয়েছে গোপনে।

 

সাংবাদিকরা কাগজপত্র চেয়েও পাননি। এমনকি অন্তবর্তী আমলে দেশের একটি শীর্ষ গবেষণা প্রতিষ্ঠান পুরনো কেনাকাটার কাগজপত্র উন্মোচন করার অনুরোধ করেছিল এই মন্ত্রণালযগুলোকে। তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।

গোপনীয়তার সূত্রে যে বিপুল দুর্নীতি বাংলাদেশে হয়, হতে থাকে, তাকে স্বচ্ছতায় না আনা হলে নিজে ব্যক্তিগতভাবে সৎ থাকার দাবি বিষয়ে আমার আগ্রহ কম হয়। কেননা, সেটা যাচাই করার উপায়ও থাকে না।

 

বরং দেশের শীর্ষ স্থানীয় বহু গবেষক, অধ্যাপক ও উদ্যোক্তা চেষ্টা করেও এই অপচয় ও দুর্নীতির খাতগুলো অন্তবর্তী আমলে বন্ধ করতে সক্ষম হননি। অথচ সুযোগ ছিল, সফটওয়ার খাতে এই সময়ে জোয়ার আনার।

 

Visited 29 times, 1 visit(s) today