এএসএম শরিফুল হাসান
ট্রানজিট কী?
যা আওয়ামী লীগ করলে “ভারতের কাছে দেশ বিক্রি” আর ইউনূস করলে “চোখে চোখ রেখে বাণিজ্য”
“ডিম পাড়ে হাঁসে, খায় বাগডাসে” ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান ও ভারতের সঙ্গে এশিয়ান হাইওয়েতে যুক্ত হয় ২০১৬ সালে থেকে শুরু হওয়া ৮টি মহাসড়কের ৬০০ কিলোমিটার সড়ক প্রকল্পের মাধ্যমে। ওই ৬০০ কিলোমিটার সড়কের উন্নয়নে নেওয়া হয়েছিল ‘ক্রসবর্ডার রোড নেটওয়ার্ক ইম্প্রুভমেন্ট প্রজেক্ট’ শীর্ষক ২ হাজার ৫১৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকার একটি প্রকল্প।

এশিয়ান হাইওয়ের আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে নিরাপদ আন্তঃদেশীয় সড়ক যাতায়াত নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করাই ছিল এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য।
ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারে এশিয়ান হাইওয়ে, সাউথ এশিয়া সাব রিজিওনাল ইকোনমিক কো-অপারেশন (সাসেক) ও বাংলাদেশ, ভারত, চীন ও মায়ানমারের মধ্যে প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক করিডোরে (বিসিআইএম) নতুন করে যুক্ত হয়েছিল বাংলাদেশের ওই ৮টি মহাসড়ক। ৬০০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সড়কগুলোর সীমানা মিলিত হয়েছে ভারত সীমান্ত। যে কারণে প্রকল্পটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘ক্রসবর্ডার’।
নেপাল-ভুটান-সেভেন সিস্টার্সে ব্যাবসা বাণিজ্যের সম্প্রসারনে কথা মাথায় রেখেই এই প্রকল্পের কথা চিন্তা করে আওয়ামীলীগ সরকার এবং বাজেট থোক বরাদ্দ দিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করে এই প্রকল্প। পুরো প্যাকেজের সঙ্গে পদ্মাসেতু, পদ্মাসেতু রেল, ২য় বঙ্গবন্ধু সেতু সহ হাজার হাজার কিলোমিটার রাস্তা কালভার্ট, ব্রীজ, রেললাইন যুক্ত করা হয়েছিল আঞ্চলিক ব্যাবসা বাণিজ্য সম্প্রসারণে।
এটাই হচ্ছে শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টি।
কেউ আজকে ব্যাবসা বাণিজ্যের ঘোষণা দেয়, আর কেউ ৯/১০ বছর ধরে তিল তিল করে পরিকল্পনা করে সবটা সাজায়।
পরিচিতি: অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট
Visited 498 times, 1 visit(s) today
