বিপিএলে মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম ধাপেই দেখা যায় ছোট বাউন্ডারি, তাতে হয় রান উৎসব। সিলেট পর্বে আরও বেশি রান দেখাতে বাউন্ডারির আকার করে ফেলা হয়েছে আরও ছোট। এমনকি ৫০ মিটারেও হচ্ছে ছক্কা! এত ছোট বাউন্ডারিতে রান পেলেও সেটা ভালো লাগছে না তামিম ইকবালের। তিনি সীমানা আরও বড় করার দাবি তুলেছেন।
বিপিএলে শুরু থেকেই নেতিবাচক খবরে আসছে বিসিবি। সেই নেতিবাচক আবহ ঢাকতে রান উৎসবের পরিকল্পনা করে বিসিবি। স্পোর্টিং উইকেট করেও রান উৎসব নিশ্চিত না হওয়ায় বাউন্ডারি ছোট করে দেয় তারা।
মিরপুরে দেখা মাঠের চারটি অংশে দেখা যায় ৬০ মিটারের নিচে বাউন্ডারি। এতে স্বাভাবিকভাবেই অনেক বেশি ছক্কার মার দেখা গেছে। সিলেটে খেলার প্রথম দিনেই দেখা গেল হাস্যকর চিত্র।
দুর্বার রাজশাহী-ফরচুন বরিশাল ম্যাচের একটি ছক্কার বাউন্ডারির দূরত্ব নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে হাস্যরস। ছক্কার দূরত্ব মাত্র ৫২ মিটার! তাও সেটি গিয়ে বিজ্ঞাপনী বোর্ড ছাড়িয়ে পড়েছে বাইরে। অর্থাৎ এই পাশের বাউন্ডারির দূরত্ব নিশ্চিতভাবেই ৫০ মিটারের কম।স্বীকৃত ক্রিকেটে এত ছোট বাউন্ডারি নজিরবিহীন।
ছোট বাউন্ডারিতে ৪৮ বলে অপরাজিত ৮৬ রান করা তামিম ইকবাল খুশি হতে পারেননি এসব দেখে। তিনি ম্যাচ শেষে ভদ্রভাবেই করেন সমালোচনা, ‘যেভাবে মাঠ প্রস্তুত করা হয়েছে, তা খুব ভালো। আমি যা দেখতে চাই, তা হলো আরও বড় সীমানা। জায়গা যখন আছে, তাহলে ৫৮-৬০ গজের বাউন্ডারিতে আমরা কেন খেলছি, জানি না। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৬৫-৭০ গজের বাউন্ডারি দেখা যায়। তখন বোলারদের জন্য কিছুটা সুযোগ থাকে।’
‘উইকেট এবার এত ভালো…! কিউরেটরদের অনেক কৃতিত্ব দিতে হবে। দুর্দান্ত উইকেট তৈরি করেছেন তারা। তবে উইকেট যখন এত ভালো থাকে, তখন সীমানা বাড়িয়ে দেওয়া উচিত, বিশেষ করে যদি জায়গা থাকে। তাহলে বোলারদের জন্যও সুযোগ থাকে। এই মুহূর্তে বোলারদের জন্য কিছু নেই। শীর্ষ কর্তারা যারা সিদ্ধান্ত যা গ্রহণ করেন, আমার আশা ও প্রার্থনা, তারা আমার কথা শুনছেন এবং এই বাউন্ডারি আরেকটু পিছিয়ে দেবেন। কারণ জায়গা তো আছেই।’
