দেশে মোট ৭৭টি সাংগঠনিক জেলা ও মহানগরের নতুন আমির নির্বাচন করেছে প্রধান বিরোধীদল জামায়াতে ইসলামী।
৪ঠা নভেম্বর, বুধবার নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়। ২০২৭-২৮ সেশনের জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা-মহানগরের ‘ইমারত’ সামলানোর দায়িত্ব পাওয়া এসব আমিরদের তালিকায় পাওয়া গেছে ১৬ জন ‘অধ্যাপক’-‘অধ্যক্ষ’কে। এর মধ্যে ‘অধ্যাপক’রা শিক্ষকতা করেন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে, যেখানে সহকারী অধ্যাপকের ঊর্ধ্বে কোনো পদ নেই। আর দাখিল মাদ্রাসারও ‘অধ্যক্ষ’ পাওয়া গেছে একজনকে।
জেলা আমির নির্বাচনের পর গণমাধ্যমকে দেওয়া তালিকা যাচাই করে দেখা গেছে, এই তালিকার ১১ জনের নামের পূর্বে ‘অধ্যাপক’ পদবি ব্যবহার করা হয়েছে। আর ‘অধ্যক্ষ’ পদবি রয়েছে আরও ৫ জনের নামে।
তালিকায় ‘অধ্যাপক’ পদবি ব্যবহার করা জেলা আমিররা হলেন— পঞ্চগড়ের মো. ইকবাল হোসাইন, কুড়িগ্রামের আজিজুর রহমান সরকার, পাবনার নজরুল ইসলাম, রাজশাহীর আব্দুল খালেক, যশোরের মো. গোলাম রছুল, মাগুরার সাঈদ আহমাদ, খুলনা মহানগরীর মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, সাতক্ষীরার শহীদ ইসলাম, গোপালগঞ্জের রেজাউল করিম, কুমিল্লা উত্তরের মো. আব্দুল মতিন এবং রাঙামাটির মোহাম্মদ আব্দুল আলীম।
আর অধ্যক্ষরা হলেন— নীলফামারীর আব্দুস সাত্তার, কুষ্টিয়ার খন্দকার এ কে এম আলি মহসিন, খুলনার কবিরুল ইসলাম, বরিশাল মহানগরীর জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর এবং কক্সবাজারের নূর আহমদ আনোয়ারী।
অধ্যাপকরা কেউ সহকারী অধ্যাপক, কেউ প্রভাষক
তালিকা ধরে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, অধ্যাপক পরিচয় দেওয়া ১১ জেলা আমিরের ৮ জন প্রকৃতপক্ষে সহকারী অধ্যাপক। বাকিদের মধ্যে ২ জন প্রভাষক এবং অন্য একজন কোথায়, কীভাবে শিক্ষকতা করেন, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
এর মধ্যে— পঞ্চগড় জেলা জামায়াত আমির অধ্যাপক মো. ইকবাল হোসাইন জেলার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার (ডিগ্রি) ইনস্টিটিউটের ইসলামিক স্টাডিজ, যশোর জেলা আমির ও সংসদ সদস্য অধ্যাপক মো. গোলাম রসুল হামিদপুর আল হেরা কলেজের ইসলামিক স্টাডিজ, খুলনা মহানগরী আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান খুলনা সিদ্দিকিয়া কামিল মাদ্রাসার বিজ্ঞান বিভাগ এবং রাঙামাটির অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল আলীম আল আমিন ইসলামিয়া ফাযিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক।
গোপালগঞ্জ জেলা আমির অধ্যাপক রেজাউল করিম কাশিয়ানি উপজেলার রাজপাট ডিগ্রি কলেজের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা আমির মো. আব্দুল মতিন ব্রাহ্মণপাড়ার সাহেবাবাদ ডিগ্রি কলেজের একাউন্টিং বিভাগে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মজীবন শেষে অবসরে গেছেন।
রাজশাহী জেলা আমির অধ্যাপক আব্দুল খালেক গোদাগাড়ী উপজেলার মাটিকাটা আদর্শ ডিগ্রি কলেজের বর্তমান এবং সাতক্ষীরা জেলা আমির অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম সাতক্ষীরা সিটি কলেজের সাবেক সহকারী অধ্যাপক।
এমপিওভুক্ত কলেজে সর্বোচ্চ সহকারী অধ্যাপক থাকেন। এখানে সহযোগী অধ্যাপক এবং অধ্যাপক পদই নেই। এমনকি ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার পর অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়, কিন্তু তারা সহকারী অধ্যাপকই থাকেন। ফলে সহকারী অধ্যাপক বা প্রভাষক হলে অধ্যাপক পদ ব্যবহারের সুযোগ নেই। কিন্তু কেউ কেউ ব্যক্তিগত জায়গা থেকে এটি ব্যবহার করেন। সমালোচনাও হয়— সংশ্লিষ্ট একটি কলেজের অধ্যক্ষ
এদিকে কুড়িগ্রাম জেলা আমির আজিজুর রহমান সরকার ভুরুঙ্গামারী ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত)। একই সাথে তিনি হিসাববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেছেন। প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে সরকারি। দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে প্রভাষক পদে থেকেই আজিজুর রহমান সরকার অবসরে গেছেন। পাবনা জেলা আমির ‘অধ্যাপক’ নজরুল ইসলামও ২০২০ সাল পর্যন্ত প্রভাষক হিসেবে একটি এমপিওভুক্ত কলেজে শিক্ষকতা করেছেন। বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) শিক্ষক তথ্য পোর্টালে ২০২০ সালের পর তার নাম পাওয়া যায়নি। তালিমুল ইসলাম একাডেমি অ্যান্ড কলেজ নামে ওই প্রতিষ্ঠানটি জয়পুরহাটে অবস্থিত। তথ্য বলছে, নজরুল ইসলাম প্রতিষ্ঠানটিতে প্রথমে সাচিবিক বিদ্যা এবং পরে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক ছিলেন।
মাগুরা জেলা আমির সাঈদ আহমাদের সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারও নামের পূর্বে ‘অধ্যাপক’ পদবি ব্যবহার করেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তিনি এক সময় খুলনা ইসলামিয়া কলেজে শিক্ষকতা করেছেন। তবে তিনি সহকারী অধ্যাপক হননি। প্রভাষক হিসেবে চাকরি করেছেন ২ বছর।
অধ্যক্ষদের একজনের মাদ্রাসা দাখিল পর্যন্ত
অধ্যক্ষদের ৫ জনের মধ্যে একজন কামিল এবং দুজন আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ। আর একজন ‘অধ্যক্ষ’ দাখিল মাদ্রাসার। অপর একজনের প্রতিষ্ঠানের পরিচয় পাওয়া যায়নি। তিনি হলেন—কুষ্টিয়া জেলা আমির খন্দকার এ কে এম আলি মহসিন। অপর চারজনের মধ্যে নীলফামারী জেলা আমির ও সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তার ডিমলা কামিল মাদ্রাসা, খুলনা জেলা আমির কবিরুল ইসলাম আটলিয়া সিদ্দিকিয়া আলিম মাদ্রাসা এবং কক্সবাজার জেলা আমির নূর আহমদ আনোয়ারী হ্নীলা শাহ মজিদিয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ।
আমার সহকারী অধ্যাপক হওয়ার কথা। কিন্তু এই কালো আইনের কারণে আমরা সহকারী অধ্যাপকটাও হতে পারিনি। ভাগ্যবিড়ম্বনায় বলব না, জঘন্য কালো আইনের কারণেই এমনটা হয়েছে। আর আমি ৩৩ বছর চাকরি করেছি, আমাদের ডিরেক্ট ছাত্ররা অধ্যাপক হয়েছে, কলেজের প্রিন্সিপাল হয়েছে। এখন কেউ যদি আমাকে অধ্যাপক লেখে, তাহলে কি বড় অন্যায় হয়ে গেছে? মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে গেছে? এটা তো ওই রকম আইনি লেভেলের কোনো বিষয় না। অপরাধের মধ্যেও বোধহয় পড়ে না— আজিজুর রহমান সরকার, কুড়িগ্রাম জেলা জামায়াত আমির
বরিশাল মহানগর আমির জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর আল-ফারূক আলিয়া মাদ্রাসার ‘অধ্যক্ষ’ বলে জানা গেছে। তবে প্রতিষ্ঠানটিতে কিন্ডারগার্টেন থেকে দাখিল দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হয়। যদিও দাখিল পর্যন্ত মাদ্রাসায় ‘অধ্যক্ষ’ পদ নেই। এই প্রতিষ্ঠানের প্রধানের ক্ষেত্রে সুপার বা সুপারিন্টেন্ডেন্ট পদবি ব্যবহার করা হয়। খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, ১৯৮০ সালে ‘আল ফারূক একাডেমি’ নামে আল ফারূক সোসাইটি পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠানটি চালু হয়। গত বছর এর নাম করা হয় ‘আল ফারূক আলিয়া মাদ্রাসা’।
বলছেন—আইনে ‘আপত্তি’ নেই
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‘এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো’ অনুযায়ী, বেসরকারি ডিগ্রি বা অনার্স কলেজে ‘প্রভাষক’ ও ‘সহকারী অধ্যাপক’ পদ থাকলেও পূর্ণ ‘অধ্যাপক’ পদটি সাধারণত থাকে না। দাপ্তরিক বা আইনি নথিতে পূর্ণ অধ্যাপক পদবি ব্যবহার করারও নিয়ম নেই। সামাজিকভাবে অনেকেই অধ্যাপক পদবি ব্যবহার করেন। দীর্ঘদিন এমনটি চলে আসলেও আইনি কোনো বাধ্যবাধকতা বা নিষেধাজ্ঞার নজির মেলেনি।
তবে বিষয়টি অনৈতিক বলে মনে করছেন শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা। একজন জেলা আমির সহকারী অধ্যাপক হিসেবে আছেন এমন একটি কলেজের অধ্যক্ষ নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এমপিওভুক্ত কলেজে সর্বোচ্চ সহকারী অধ্যাপক থাকেন। এখানে সহযোগী অধ্যাপক এবং অধ্যাপক পদই নেই। এমনকি ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার পর অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়, কিন্তু তারা সহকারী অধ্যাপকই থাকেন। ফলে সহকারী অধ্যাপক বা প্রভাষক হলে অধ্যাপক পদ ব্যবহারের সুযোগ নেই। কিন্তু কেউ কেউ ব্যক্তিগত জায়গা থেকে এটি ব্যবহার করেন। সমালোচনাও হয়।
এসব বিষয়ে কথা বলতে যশোর জেলা আমির ও সংসদ সদস্য গোলাম রসুলের এয়ারটেল নম্বরে (শেষে ৭২৪) কল দেওয়া হলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। গোপালগঞ্জ জেলা আমির অধ্যাপক রেজাউল করিম কল রিসিভ করেননি।
রাজশাহী জেলা আমির ও গোদাগাড়ীর মাটিকাটা আদর্শ ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক আব্দুল খালেক বলেন, আমি যখন আমার ঠিকানা লিখি, তখন সহকারী অধ্যাপকই লিখি। কোনো সময় ‘অধ্যাপক’ শব্দ ব্যবহার করি না। লোকজনই সেটা লিখে দেয়। এমনি এটা মুখে মুখে বলা হয় বা প্রচারণার জায়গা থেকে পরিচিতি হয়ে গেছে। আমার নামের সাথে যদি অধ্যাপক না লেখে, মানুষ তো চিনতে পারবে না, এই আর কি।
তিনি বলেন, এমপিওভুক্ত কলেজে ‘অধ্যাপক’ বা ‘সহযোগী অধ্যাপক’ পদ এখনও নাই। কিন্তু এটি ব্যবহার হয়ে আসছে। তবে, আমরা যখন আইনগত দিকে যাই, যেমন যদি নির্বাচনে কেউ দাঁড়ায়, তাহলে ওটা লেখা যাবে না।
কুড়িগ্রাম জেলা আমির ও ভুরুঙ্গামারী ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) আজিজুর রহমান সরকার বলেন, কলেজে প্রায় ৩৩ বছর ছিলাম, ভাইস প্রিন্সিপালের দায়িত্ব পালন করেছি। কিন্তু আমি ব্যক্তিগতভাবে কখনও অধ্যাপক ব্যবহার করি না। সাধারণত মানুষজন এই অধ্যাপক কথাটা লেখে। এটা বাংলাদেশে একটা অভ্যাস হয়ে গেছে। এই সেন্সেই হয়তো ব্যবহার হয়েছে।
আমি যখন আমার ঠিকানা লিখি, তখন সহকারী অধ্যাপকই লিখি। কোনো সময় ‘অধ্যাপক’ শব্দ ব্যবহার করি না। লোকজনই সেটা লিখে দেয়। এমনি এটা মুখে মুখে বলা হয় বা প্রচারণার জায়গা থেকে পরিচিতি হয়ে গেছে। আমার নামের সাথে যদি অধ্যাপক না লেখে, মানুষ তো চিনতে পারবে না, এই আর কি— আব্দুল খালেক, রাজশাহী জেলা জামায়াত আমির
চাকরিজীবনে বৈষম্যের শিকার হয়েছেন বলেও আক্ষেপ প্রকাশ করেন আজিজুর রহমান সরকার। তিনি বলেন, আমার খুবই দুর্ভাগ্য যে আমরা তো এমনিতেই রাজনৈতিক কারণে বঞ্চিত ছিলাম, তার ওপর যখন প্রভাষকের চূড়ান্ত সময়ে পৌঁছলাম, তখন ২০১৬ সালে সরকার কিছু কলেজকে সরকারিকরণের ঘোষণা দিল, যার মধ্যে ভুরুঙ্গামারী কলেজও ছিল। তখন আমাদের চাকরিটা সরকারি কলেজের মধ্যে চলে গেল, যার কারণে ওই সময়েও আর সহকারী অধ্যাপক হওয়া হলো না। শেষ পর্যন্ত প্রভাষক পদে থেকেই অবসরে গেলাম।
তিনি আরও বলেন, আমার সহকারী অধ্যাপক হওয়ার কথা। কিন্তু এই কালো আইনের কারণে আমরা সহকারী অধ্যাপকটাও হতে পারিনি। ভাগ্যবিড়ম্বনায় বলব না, জঘন্য কালো আইনের কারণেই এমনটা হয়েছে। আর আমি ৩৩ বছর চাকরি করেছি, আমাদের ডিরেক্ট ছাত্ররা অধ্যাপক হয়েছে, কলেজের প্রিন্সিপাল হয়েছে। এখন কেউ যদি আমাকে অধ্যাপক লেখে, তাহলে কি বড় অন্যায় হয়ে গেছে? মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে গেছে? এটা তো ওই রকম আইনি লেভেলের কোনো বিষয় না। অপরাধের মধ্যেও বোধহয় পড়ে না।
সার্বিক বিষয়ে কথা বলতে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সরকারিভাবে অধ্যাপক হওয়ার একটা ক্রাইটেরিয়া আছে। কিন্তু প্রচলিতভাবে যারা অধ্যাপনা করেন, তারা অধ্যাপক লেখেন; অধ্যাপনা করেন এই হিসাবে, এই অর্থেই তা লেখা হয়। এটি ‘ভুয়া পদবি’ ব্যবহার কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, এটা ভুয়া না। অধ্যাপনা বলতে শিক্ষকতা বোঝায়।
দাখিল মাদ্রাসার ‘অধ্যক্ষ’ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, কলেজ ছাড়াও মাধ্যমিক-নিম্নমাধ্যমিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানেও প্রিন্সিপাল পদবি ব্যবহার করে। উনি এই ধরনের একটা প্রতিষ্ঠানে আছেন। এ ধরনের আরও অনেকেই আছেন।


