যোগ করা সময়ের গোলে নাটকীয় জয় পেয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। বুধবার রাতে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও স্বাগতিক এইকে এথেন্সকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়েছে কার্লো আনচেলত্তির দল। অন্য ম্যাচে দুবার এগিয়ে গিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি লিভারপুলের; ফেনারবাচের কাছে ৩-২ ব্যবধানে হেরে আসরে প্রথম পরাজয়ের স্বাদ পেয়েছে অলরেডরা।
এই জয়ে টানা চার ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুই নম্বরে রিয়াল মাদ্রিদ। সমান পয়েন্ট নিয়েও গোল ব্যবধানে এগিয়ে শীর্ষে প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি)।
এথেন্সের মাঠে ম্যাচের শুরু থেকেই বেশ চাপে ছিল রিয়াল। ১২ মিনিটে আবুবাকারি কোইতার দুর্দান্ত এক শটে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। ২৭ মিনিটে জুড বেলিংহামের গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হলেও ৩২ মিনিটে রিয়ালকে সমতায় ফেরান এই ইংলিশ মিডফিল্ডার। মার্ক কুকুরেয়ার পাস থেকে ব্যাকহিলে বল জালে পাঠান তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধের ৭৫ মিনিটে স্তাভরোস পিলিওসের গোলে আবারও এগিয়ে যায় এথেন্স। থিবো কোর্তোয়ার পায়ের নিচ দিয়ে বল জালে পৌঁছায়। তবে স্বাগতিকদের সেই আনন্দ স্থায়ী হয় মাত্র তিন মিনিট। দেনজেল ডুমফ্রিসের ক্রস থেকে রিয়ালের হয়ে সমতা ফেরান কিয়ান এমবাপ্পে।
ম্যাচ যখন ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছিল, ঠিক তখনই দৃশ্যপটে আসেন ফেদেরিকো ভালভার্দে। ইনজুরি সময়ে উরুগুয়ান এই মিডফিল্ডারের লক্ষ্যভেদে নাটকীয় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রিয়াল।
ইস্তাম্বুলে লিভারপুলের ধাক্কা
টানা তিন জয়ের পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথম হারের মুখ দেখল লিভারপুল। ইস্তাম্বুলে ফেনারবাচে তাদের হারিয়েছে ৩-২ ব্যবধানে।
২৫ মিনিটে ট্রেই নিওনির গোলে লিভারপুল এগিয়ে গেলেও ২৯ মিনিটে মেসন গ্রিনউড ফেনারবাচকে সমতায় ফেরান। ৬৯ মিনিটে আলেকজান্ডার ইসাকের গোলে লিভারপুল ফের লিড নেয়। তবে ৭৩ মিনিটে আর্চি ব্রাউন সমতা ফেরানোর পর ৭৯ মিনিটে ভেদাত মুরিকি স্বাগতিকদের জয়সূচক গোলটি করেন।
এই হারের পর ৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের পাঁচে নেমে গেছে লিভারপুল। আর ৫ পয়েন্ট নিয়ে ১৯ নম্বরে উঠে এসেছে ফেনারবাচে।
