❐ বিডি ডাইজেস্ট ডেস্ক
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন এবং গণতন্ত্র ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বাংলাদেশের জনগণের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
২০২৪ সালের আগস্টে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এটিই তাঁর প্রথম প্রকাশ্য সংবাদ সম্মেলন।
বক্তব্যে শেখ হাসিনা অভিযোগ করেন, বর্তমান ক্ষমতাসীনরা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে ফেলার এবং বাংলাদেশ যে ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তা পুনর্লিখনের চেষ্টা করছে।
তিনি বলেন, দণ্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী ও শীর্ষ সন্ত্রাসীদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে এবং নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পরও দেশের পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয়নি।
অর্থনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা কিছু পরিসংখ্যান তুলে ধরেন — জিডিপি প্রবৃদ্ধি আওয়ামী লীগ সরকারের ৬.৮০ শতাংশ থেকে নেমে ২.২২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ১৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪৭ শতাংশ হয়েছে এবং দারিদ্র্যের হার ১৮.৬০ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪৬.৮ শতাংশে পৌঁছেছে।
তিনি আরও বলেন, প্রায় ২ কোটি মানুষ নতুন করে বেকার হয়েছেন এবং পাঁচশতাধিক শিল্প-কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এসব পরিসংখ্যান স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
নিজের শাসনামলের সাফল্যের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা জানান, তাঁর চার মেয়াদে পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, কর্ণফুলী টানেলসহ বড় প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৬ থেকে সাড়ে ৭ শতাংশের মধ্যে বজায় ছিল।
