❐ নিজস্ব প্রতিবেদক
জ্বালানি খাতে কৃচ্ছ্রসাধনের জন্য এবার ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবসে দেশব্যাপী আলোকসজ্জা বাতিলের ঘোষণা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।
আজ ৮ই মার্চ, রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
এমন ঘোষণা আসতে পারে, গতকাল থেকেই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। তখন থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে এ নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়ে যায়।
২০২৪-এর আগস্টে ক্ষমতায় আরোহন করা ড. ইউনূসের সরকার তার পুরো সময়কালে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসগুলোতে আলোকসজ্জা এবং সামরিক কুচকাওয়াজ বন্ধ করে দেন। এর নেপথ্যে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তির ইন্ধন ছিল বলে অভিযোগ করা হয়।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসীদের অভিযোগ, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা চায়নি, তারা স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবসসহ জাতীয় এই গুরুত্বপূর্ণ দিবসগুলো যথাযথভাবে উদযাপনে অনীহা পোষণ করে।
চিরায়ত প্রথায় দিবসের তাৎপর্য অনুসারে, ভাবগাম্ভীর্য এবং বিধি মোতাবেক আলোকসজ্জা, সামরিক কুচকাওয়াজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উদযাপন, র্যালি, আলোচনা অনুষ্ঠান-সেমিনারসহ বিভিন্ন রীতি মেনে সমগ্র জাতি একসাথে পালন করত।
কিন্তু ড. ইউনূসের আমলে এসব কিছুই পরিহার করা হয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় এবার স্বাধীনতা দিবসে আলোকসজ্জা পরিহারের ঘোষণা দিয়েছে সরকার।
ইতিমধ্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ইতিমধ্যে তার এক বক্তব্যে বলেন, ঋণে ডুবে থাকার চেয়ে বরং লোডশেডিংয়ে কষ্ট পাওয়া ভালো। তার এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে তীব্র সমালোচনা দেখা দেয়।
যার প্রেক্ষিতে বর্তমানে শপিং মলে শপিং মলে আলোকসজ্জা না করার নির্দেশনা দেওয়ার দাবি উঠলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর করা হয়নি। অথচ স্বাধীনতা দিবসের আলোকসজ্জার সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়েছে কৃচ্ছ্রসাধনের নামে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, কৃচ্ছ্রসাধনের জন্য স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে কোনো আলোকসজ্জা করা হবে না। যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উদযাপন করা হবে।
