ভারতের সঙ্গে পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে নামবে না বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। সেই তিনিই আবার ইউটার্ন নিয়ে বললেন, ক্রিকেটের স্বার্থে তারা ম্যাচটা খেলবেন।
এক্স-এ (সাবেক টুইটার) শাহবাজ শরিফ পোস্ট করেছেন, ‘বহুপাক্ষিক আলোচনার ফলাফল এবং বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর অনুরোধের প্রেক্ষিতে পাকিস্তান সরকার পাকিস্তান জাতীয় দলকে ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামার নির্দেশ দিচ্ছে।’
প্রধানমন্ত্রী আরও যোগ করেছেন, ‘তাছাড়া, ক্রিকেটের চেতনা রক্ষা এবং সকল অংশগ্রহণকারী দেশে এই বৈশ্বিক খেলার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
ম্যাচ বর্জনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার এই নাটকীয় মোড়টি এসেছে সপ্তাহান্তের উন্মাদনাপূর্ণ আলোচনার পর। রোববার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) প্রধানরা পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সঙ্গে আলোচনার জন্য লাহোর সফর করেন।।
চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার লড়াই ক্রিকেটের সবচেয়ে লাভজনক ম্যাচগুলোর অন্যতম, যা সম্প্রচার, স্পন্সর এবং বিজ্ঞাপন থেকে লক্ষ লক্ষ ডলার আয় এনে দেয়।
২০ দলের এই টুর্নামেন্টটি একটি তিক্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতির ছায়ায় ঢাকা পড়েছিল। নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশ ভারতে খেলতে অস্বীকৃতি জানানোর পর তাদের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর প্রতিবাদে পাকিস্তান গ্রুপ ‘এ’-তে সহ-আয়োজক ভারতের মোকাবিলা করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল।
তবে হম্বিতম্বিতেই সার। শেষ পর্যন্ত নিজেদের অন্ধকার আগামীর আঁচ পেয়ে সব ভুলে খেলতে রাজী হয়েছে পাকিস্তান। এছাড়া অবশ্য তাদের বিকল্পও ছিলো না।
