টিম ডিরেক্টর পদটা প্রথম আবিষ্কার হয় নাজমুল হাসান পাপনের বোর্ডের আমলে। সেই পদে বসে নানাবিধ বিতর্কের জন্ম দিতেন তখনকার পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন। এবার তার তৈরি করা ফরমুলায় জাতীয় দলের টিম ডিরেক্টর পদে বসেছেন সাবেক বাঁহাতি স্পিনার ও নতুন পরিচালক আব্দুর রাজ্জাক। এছাড়া আরেক সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুলকে আসন্ন আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত সিরিজের জন্য জাতীয় দলের স্পেশালিস্ট ব্যাটিং কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
সোমবার বিসিবির বোর্ড অব ডিরেক্টরসের সভা শেষে এই সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেওয়া হয়।
“আশরাফুলের অভিজ্ঞতা—এটা তো স্পষ্ট বিষয়। তিনি ইতোমধ্যে কোচিং কোর্সগুলো সম্পন্ন করেছেন, আর মূলত তার অভিজ্ঞতাকেই আমরা এই ভূমিকায় গুরুত্ব দিয়েছি,” মিডিয়ার সঙ্গে ব্রিফিংয়ে বলেন টিম ডিরেক্টর আব্দুর রাজ্জাক।
প্রশ্ন উঠেছিল, সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনকে কি ব্যাটিং কোচ হিসেবে সরানো হচ্ছে? রাজ্জাক বলেন, “সালাহউদ্দিন ভাই সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট কোচ। ব্যর্থতার কারণে কাউকে সরানো হয়নি, আশরাফুলকে শুধু দলে যুক্ত করা হয়েছে।”
তবে আশরাফুল আপাতত শুধুমাত্র আয়ারল্যান্ড সিরিজের জন্যই কোচিং সেটআপে যুক্ত হচ্ছেন। রাজ্জাক বলেন, “ভবিষ্যতে আশরাফুল এই ভূমিকায় থাকবেন কি না, সেটা বোর্ড পরে সিদ্ধান্ত নেবে।”
জাতীয় দলের নতুন টিম ডিরেক্টর হিসেবে নিজের ভূমিকা নিয়েও কথা বলেন রাজ্জাক। তবে তার ভূমিকাটা আসলে কী তা পরিষ্কার হয়নি, “আমার ভূমিকা হবে অন্যান্য টিম ডিরেক্টরের মতোই। আমি পর্যবেক্ষণ করব, খেয়াল রাখব, এবং কেউ যদি সাহায্য চায়, তাহলে সহায়তা করব,”
তিনি বলেন, “তাদের কোনো প্রয়োজন হলে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করব সহযোগিতা করার।”
বোর্ড কেন আবার টিম ডিরেক্টরের পদে কাউকে নিয়োগ দিল, সে প্রশ্নে রাজ্জাক বলেন, “ক্রিকেট বোর্ড মনে করেছে টিম ডিরেক্টর থাকলে দলের জন্য সহায়ক হবে। এটা নতুন কোনো পদ নয়—অনেক আগে থেকেই ছিল। সাম্প্রতিক সময়ে বোর্ডে পরিচালক না থাকায় টিম ডিরেক্টরও ছিলেন না।”
এছাড়া, বিসিবি জানিয়েছে নারী ক্রিকেটারদের দৈনিক ভাতা ৫০ ডলার থেকে বাড়িয়ে ৭৫ ডলার করা হয়েছে এবং তাদের মাসিক বেতন ৩৫ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
