স্পট ফিক্সিং তদন্তের জন্য এনামুল হক বিজয়কে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে বলে খবর দেয় কয়েকটি গণমাধ্যম। তবে তা সত্য নয় বলে বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে বিসিবি। বিপিএলে ম্যাচ পাতানো তদন্তে স্বাধীন একটি কমিশন করার কথাও জানিয়েছে বোর্ড।
বিপিএলে এবার শুরু থেকেই ভুগছে নানান বিতর্কে। খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক ইস্যুতে অনেকগুলো নেতিবাচক খবর বের হতে থাকে। এই রেশ থাকতেই আসে ফিক্সিং সন্দেহের একাধিক খবর। অন্তত আটটি ম্যাচ সন্দেহের তালিকায় রেখে তদন্ত করার খবর বের হয়।
এরমধ্যে অন্তত ১২ জন ক্রিকেটারের বিরুদ্ধেও তদন্ত চলার তথ্য জানা যায়। এরমধ্যে একজন দুর্বার রাজশাহীর ক্রিকেটার এনামুল হক বিজয়। তাকে দেশ ত্যাগ করতে নিষেধ করার খবর দেয় কিছু গণমাধ্যম।
এর প্রেক্ষিতে বিবৃতি পাঠিয়ে বিসিবি বলে, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যেখানে বলা হয়েছে যে চলমান বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-টোয়েন্টি ২০২৫-এ দুর্বার রাজশাহী ফ্র্যাঞ্চাইজের খেলোয়াড় এনামুল হক বিজয়কে দুর্নীতি বিরোধী বিধি সম্পর্কিত আইনি সমস্যার কারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ‘দেশের বাইরে ভ্রমণ বা দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা’ দিয়েছে। বিসিবি স্পষ্টভাবে জানাতে চায় যে তারা বিজয়ের উপর এই ধরনের কোনও পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে অবগত নয় এবং নিশ্চিত করে যে এই মুহূর্তে তার উপর কোনও আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা জারির বিষয়ে তারা কোনও বিজ্ঞপ্তি পায়নি।’
বিপিএলে দুর্নীতি বিরোধী উদ্বেগের বিপক্ষে মানুষের উদ্বেগ দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি, ‘বিসিবি বিপিএল সম্পর্কে সম্ভাব্য দুর্নীতি বিরোধী উদ্বেগের বিষয়েও মিডিয়া কভারেজ দেখেছে। বোর্ড তার দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে যে তারা খেলার অখণ্ডতা ও চেতনা সমুন্নত রাখতে বদ্ধপরিকর। বিসিবি খেলোয়াড়দের জন্য আইসিসি দুর্নীতি বিরোধী বিধি কঠোরভাবে মেনে চলে এবং কোনও প্রকার দুর্নীতিকে শূন্য সহনীয়তা নীতি অনুসরণ করে।’
‘বিসিবি দুর্নীতি বিরোধী ইউনিট (এসিইউ) বাংলাদেশের ক্রিকেটের মধ্যে সততা সম্পর্কিত সমস্ত বিষয় ক্রমাগত পর্যবেক্ষণ করছে এবং যথাযথ গোপনীয়তা ও বিচক্ষণতার সঙ্গে সেগুলি সমাধান করছে। তাদের চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে, বিসিবি এসিইউকে তাদের তদন্তে আরও সহায়তা করার জন্য একটি স্বাধীন তদন্ত সংস্থা গঠনের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
‘বিসিবি একটি সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ ক্রিকেট পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং বাংলাদেশে খেলার বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ নিতে থাকবে।’
