❐ নিজস্ব প্রতিবেদক
জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলায় কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিট এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ রয়েছে। এর প্রভাবে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ কমেছে এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে নিম্নচাপ দেখা দিয়েছে।
গ্যাসের স্বল্প চাপে ভোগান্তিতে পড়েছেন শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র, সিএনজি স্টেশন ও আবাসিক গ্রাহকেরা।
বুধবার, ৪ঠা নভেম্বর, সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টার মধ্যে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমে যায় ৪৩ কোটি ঘনফুট।
পেট্রোবাংলার তথ্য বলছে, বুধবার সকাল ৮টায় জাতীয় গ্রিডে মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল ২৫৪ কোটি ঘনফুট। এর মধ্যে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে এসেছে ১৫৬ কোটি ৬০ লাখ ঘনফুট, আর আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) থেকে সরবরাহ হয়েছে ৯৭ কোটি ৪০ লাখ ঘনফুট।
দুপুর ২টার মধ্যে মোট সরবরাহ নেমে দাঁড়ায় ২১১ কোটি ঘনফুটে। এই সময়ে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাস সরবরাহ প্রায় একই থাকলেও এলএনজি সরবরাহ কমে ৫৪ কোটি ঘনফুটে পৌঁছায়।
পেট্রোবাংলা গত ১লা নভেম্বর জানিয়েছিল, সামিটের এলএনজি টার্মিনালে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের কারণে ৪ঠা নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ই নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
গত বছরের ডিসেম্বরেও একই ধরনের রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করা হয়েছিল।
সরবরাহে বিঘ্নের কারণে গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে।
