আইসিসির পুরুষ টি-টোয়েন্টি দলগত র্যাঙ্কিংয়ের বার্ষিক হালনাগাদে বড় সুসংবাদ পেয়েছে বাংলাদেশ। সর্বশেষ এই তালিকায় এক ধাপ এগিয়ে অষ্টম স্থানে উঠে এসেছে শান্ত-সাকিবরা। অন্যদিকে, এই ফরম্যাটে নিজেদের দাপট ধরে রেখে যথারীতি শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে ভারত।
আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মে মাস থেকে খেলা ম্যাচগুলোকে এখানে ১০০ শতাংশ এবং এর আগের দুই বছরের ম্যাচগুলোকে ৫০ শতাংশ রেটিং পয়েন্ট হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।
ভারত ও শীর্ষ দলগুলোর অবস্থান: গত দুই বছর ধরে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে রাজত্ব করা ভারতের জন্য শীর্ষে থাকাটা মোটেও অবাক হওয়ার মতো কিছু নয়। ২০২৪ ও ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপাজয়ী দলটি এই দুই বিশ্ব আসরের মাঝে কোনো সিরিজ হারেনি। বর্তমানে ২৭৫ পয়েন্ট নিয়ে তারা সবার উপরে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ইংল্যান্ডের পয়েন্ট ২৬২ এবং তৃতীয় স্থানে থাকা অস্ট্রেলিয়ার পয়েন্ট ২৫৮।
র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ সাতটি অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি। নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ যথাক্রমে চতুর্থ থেকে সপ্তম স্থানে অবস্থান করছে।
বাংলাদেশের উত্থান ও শ্রীলঙ্কার পতন: সবচেয়ে বড় রদবদল হয়েছে তালিকার নিচের দিকে। রেটিং পয়েন্ট হারানোয় শ্রীলঙ্কা বড় ধাক্কা খেয়েছে। ছয় পয়েন্ট হারিয়ে তারা নবম স্থানে নেমে গেছে। এই সুযোগে এক পয়েন্ট বাড়িয়ে শ্রীলঙ্কাকে টপকে অষ্টম স্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। বর্তমানে বাংলাদেশের পয়েন্ট ২২৫। ২২০ পয়েন্ট নিয়ে ১০ নম্বরে আছে আফগানিস্তান। জিম্বাবুয়ে ও আয়ারল্যান্ড আগের মতোই ১১ ও ১২তম স্থানে রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইতালির চমক: ক্রিকেটে দ্রুত উন্নতি করতে থাকা যুক্তরাষ্ট্র ছয় পয়েন্ট পেয়ে দুই ধাপ এগিয়ে ১৩ নম্বরে উঠে এসেছে। তারা নেদারল্যান্ডস ও স্কটল্যান্ডকে পেছনে ফেলেছে। এছাড়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া ইতালি দেখিয়েছে বড় চমক। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই নেপালকে ১০ উইকেটে হারানোর পুরস্কার হিসেবে র্যাঙ্কিংয়ে তিন ধাপ এগিয়ে ২৩তম স্থানে উঠে এসেছে তারা।
তালিকা থেকে বাদ ৪ দেশ: বর্তমানে আইসিসি টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে দলের সংখ্যা ১০২ থেকে কমে ৯৮-এ দাঁড়িয়েছে। গত তিন বছরে নিয়ম অনুযায়ী অন্তত ৮টি ম্যাচ না খেলায় ফিজি, গাম্বিয়া, গ্রিস ও ইসরায়েল এবারের তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।
