আইয়ামে ইউনূসীয়া: বাঙালির দুঃস্বপ্নে ঘেরা ১৮ মাসের এক ঝলক

আইয়ামে ইউনূসীয়া: বাঙালির দুঃস্বপ্নে ঘেরা ১৮ মাসের এক ঝলক
শেয়ার করুন

❐ বিডি ডাইজেস্ট ডেস্ক


অর্থনীতির শিক্ষক কিন্তু শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস। কবে, কোথায় তিনি শান্তি স্থাপন করেছেন- এ নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য মেলে না। অন্তত নোবেল পদক জয়ের মত শান্তিপূর্ণ কর্মকাণ্ডের হদিস পাওয়া যায় না। তবুও বিশ্ব মোড়লদের হোমরা-চোমরাদের সাথে ওঠাবসার সুবাদে বিশ্বজোড়া খ্যাতি তার।

২০২৪ এর দাঙ্গা-সহিংসতার পর আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া শিক্ষার্থীরা এই ড. ইউনূসকে ‘নিয়োগ’ দিয়েছেন রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য; এ কথা তিনি নিজেই অসংখ্যবার বলেছেন দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমকে। সেই ইউনূস এখন বাংলাদেশের দুঃস্বপ্নের নাম! তার নিয়োগদাতারাও একেকজন আঙুল ফুলে হয়েছেন বটবৃক্ষ!

তার হাতে গত ১৮ মাসে রক্তাক্ত, ক্ষতবিক্ষত হয়েছে সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ। উন্নয়নের ধরাবাহিকতায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে রোলমডেলে পরিণত হওয়া বাংলাদেশ আজ যুদ্ধবিধ্বস্ত লিবিয়া-সিরিয়ার কাতারে নেমে এসেছে। ইউনূসের শাসনামলকে তাই সামাজিক মাধ্যমে ‘আইয়ামে ইউনূসীয়া’ নামে আখ্যায়িত করেছেন দেশের সাধারণ মানুষ। ইউনূস চিহ্নিত হয়েছেন ‘গণশত্রু’ হিসেবেও।

ইউনূস আমলে একাত্তরে জান বাজি রেখে দেশ স্বাধীন করা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গলায় জুতার মালা উঠেছে। সারাদেশে মুক্তিযুদ্ধ, জাতির পিতা, জাতীয় চার নেতাসহ স্বাধীনতার স্মারক, ভাস্কর্য, ম্যুরালসহ কয়েক হাজার স্থাপনা ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। ইউনূস ও তার দোসরদের প্রকাশ্য ইন্ধনে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বঙ্গবন্ধুর বাড়ি, মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘর, মেহেরপুরের স্বাধীনতা কমপ্লেক্সসহ অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। এমনকি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সমাধি ভাঙচুর, তাদের কবরে আগুন দেওয়ার মত নৃশংস ঘটনাও দেখে জাতি।

বেপরোয়া মব সন্ত্রাস করে, রাজনৈতিক ট্যাগ দিয়ে শত শত মানুষ হত্যা, মাজার-মন্দির-গণমাধ্যমে নির্বিচারে আগুন-ভাঙচুর-লুটপাটে পুরো দেশ রীতিমতো এক মৃত্যুপুরীতে পরিণত করা হয়।

ব্যবসায়ীদের অবজ্ঞা-অবহেলা, হয়রানিমূলক মামলা, অ্যাকাউন্ট জব্দ, কারখানা বন্ধ, লাখো লোকের চাকরি হারানো, আস্থাহীনতায় পুঁজিবাজারকে তলানিতে নামিয়ে আর উচ্চমূল্যস্ফীতির তাপে সাধারণ মানুষের জীবন নরকতুল্য করে তোলা হয়।

এ সময় খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১৫১ শতাংশ। উচ্চ সুদের হারে বিনিয়োগে স্থবিরতা চরমে। অন্তর্বর্তী সময়ে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ প্রস্তাব এক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তরে এসে ৫৮ শতাংশ কমে। দেশের বড় প্রকল্পগুলো বন্ধ রেখে, এডিপি বাস্তবায়নে রেকর্ড অদক্ষতা অথচ বিদেশি ঋণ বা ধারকর্যে কয়েক গুণ বেশি পারদর্শিতা বাংলাদেশকে এগোনোর বদলে বরং পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য খাতে নজিরবিহীন অব্যবস্থাপনা ও অদক্ষতায় এখন শিশু হত্যার নির্মম-নিষ্ঠুর চিত্র সামনে এসেছে। তথ্য-উপাত্ত আর ব্যবসায়ী-বিশ্লেষকদের পর্যালোচনায় এমন চিত্রই উঠে এসেছে।

যারা শেখ হাসিনার সরকারের পতন ঘটাতে আন্দোলন করেছিল, তাদের মধ্যে শিক্ষিত-বুদ্ধিজীবী শ্রেণিও ছিল। তাদের অনেকের আশা ছিল আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব ড. ইউনূস বাংলাদেশকে অনেক দূর এগিয়ে নেবেন। ব্যবসায়ী-রাজনীতিবিদ-সাধারণ জনতা সবাই আশায় বুক বেঁধেছিল।

কিন্তু সবকিছুতে নির্বিকার থাকায় দেশে এক ধরনের নৈরাজ্য শুরু হয়। পুরো সময়কালে একবারের জন্যও ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তাদের সঙ্গে কোনো বৈঠক করেননি। বিনিয়োগ বাড়াতে আহবানও জানাননি। ফলে ব্যবসায়ী-বিনিয়োগকারীরা আস্থাহীনতায়, হতাশায় সবকিছু থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও জাতীয় সংসদে স্বীকার করতে বাধ্য হলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দেশে দারিদ্র্য কমেনি বরং বেড়েছে।

মব সন্ত্রাসের বলি সাধারণ মানুষ

বেসরকারি মানবাধিকার সংগঠন এমএসএফের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দেশে অন্তত ৪২৮টি মব সন্ত্রাস বা গণপিটুনির ঘটনা ঘটে, যা গত বছরের (২০২৪) তুলনায় তিন গুণ। এ ঘটনায় ১৬৬ জন নিহত হয়েছেন ও ৪৬০ জন আহত হয়েছেন। ২২০ জনকে আহতাবস্থায় পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।

গণপিটুনিতে নিহত ১৬২ জনের মধ্যে চুরির অপবাদ, সন্দেহে ৪১ জন, ডাকাতির অভিযোগে ও সন্দেহে ২২ জন, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির অভিযোগে ২৫ জন, ধর্ষণ ও ধর্ষণ চেষ্টার অভিযেগে ৮ জন, প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করার অভিযোগে একজন, হত্যা মামলায় অভিযুক্ত পাঁচজন, চোরাকারবারি/মাদক ব্যবসার অভিযোগে ৪ জন, ছাত্রলীগকর্মী সন্দেহে এবং রাজনৈতিক রোষানলে ৬ জন, মাদক কারবারি কটূক্তি, চোরাকারবারি, অস্ত্রসহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা ও সন্দেহে, জমিসংক্রান্ত বিরোধ, বাগিবতণ্ডা মনোমালিন্য, যৌন হয়রানি, পূর্বশত্রুতা এবং অন্যান্য আপরাধে জড়িত সন্দেহে ৫৪ জন রয়েছেন।

গণপিটুনির ঘটনায় আহত ৪৬০ জনের মধ্যে ৫৫ জন আওয়ামী লীগ এবং ছাত্রলীগ সদস্য।

রাজনৈতিক সহিংসতার শিকার

গত এক বছরে (২০২৫) দেশে শুধু রাজনৈতিক সহিংসতায় ১৩৩ জন হত্যার শিকার হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৭ হাজার ৫১১ জন। এর বাইরে দেশে প্রায় ৪ হাজার হত্যা মামলা হয়েছে। সেই সঙ্গে হত্যা, নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন ৫৩৯ জন সাংবাদিক। সূত্র পুলিশ সদর দপ্তর ও মানবাধিকার সংস্থা।

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য বলছে, গত বছর (২০২৫) সারা দেশে প্রায় ৪ হাজার হত্যা মামলা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ মাসে বিভিন্ন থানায় ৩ হাজার ৫০৯টি হত্যা মামলা হয়েছে। এই হিসাবে ২০২৪ সালের প্রথম ১১ মাসের চেয়ে ২০২৫ সালের প্রথম ১১ মাসে ২৮১টি হত্যা মামলা বেশি হয়েছে।

সংস্থাটির তথ্য বলছে, দেশে হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতন, অপহরণ, চুরি, ছিনতাই, দস্যুতা ও ডাকাতির ঘটনায় গত বছরের (২০২৫) আগস্ট থেকে চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত ১৩ মাসে অপরাধমূলক ঘটনায় সারা দেশে ৩৯ হাজার ৯৩৬টি মামলা হয়েছে। এই হিসাবে প্রতি মাসে মামলা ৩ হাজার ৭২টি। এই হিসাবে প্রতিদিন মামলা ৭২টি।

২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ১৩ মাসে এসব অপরাধের ঘটনায় ৩৬ হাজার ৩১৫টি মামলা হয়। এতে একই সময়ের মধ্যে আগের বছরের তুলনায় ৩ হাজার ২১টি মামলা বেশি হয়।

অর্থনীতি-ব্যবসা-বাণিজ্য ধূলিস্মাৎ

ব্যাংকিং খাতে গত দেড় বছরে খেলাপি ঋণের পরিমাণে এক অভাবনীয় উল্লম্ফন দেখা গেছে। ২০২৪ সালের জুন মাসে খেলাপি ঋণ ছিল প্রায় ২ লাখ ১১ হাজার কোটি টাকা, যা মোট ঋণের প্রায় ১১ শতাংশ। অথচ ২০২৫ সালের জুন নাগাদ খেলাপি ঋণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকায়।

মাত্র এক বছরে বেড়েছে তিন লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১৫১ শতাংশ। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক ঋণ দাঁড়িয়েছে ১১৩.৫১ বিলিয়ন ডলার, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, শুধু ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর—এ তিন মাসেই বৈদেশিক ঋণ বেড়েছে ১.৩০ বিলিয়ন ডলার। সেপ্টেম্বর শেষে ঋণের পরিমাণ ছিল ১১২.২১ বিলিয়ন ডলার। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের সময় দেশের মোট ঋণ ছিল ১০৩.৪১ বিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ দেড় বছরে ঋণ বেড়েছে প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার।

২০২৪ সালের শুরুর দিকে নীতি সুদহার ছিল ৮ শতাংশের ঘরে। ২০২৬ সালের বর্তমান সময় পর্যন্ত তা ১০ শতাংশে এসে ঠেকেছে। গ্রাহক পর্যায়ে সুদের হার ১৪-১৬ শতাংশ পর্যন্ত উঠেছে। সুদের হার বাড়ায় ব্যাবসায়িক ঋণের খরচ বেড়েছে, যা নতুন বিনিয়োগ ও কারখানা সম্প্রসারণে বাধা সৃষ্টি করছে। এ সময় ৩২৭টি কারখানা বন্ধ রয়েছে। কর্মহীন হয়েছে দেড় লক্ষাধিক শ্রমিক।

দেশবিরোধী চুক্তি সম্পাদন

অনেক রাজনৈতিক নেতার দাবি, ড. ইউনূসকে বাংলাদেশে ক্ষমতাসীন করার পেছনে ছিল আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পক্ষের একটি মিশন। শেখ হাসিনার সরকারকে দিয়ে যা রাজি করানো যায়নি, সেসব বাস্তবায়ন করাতেই ড. ইউনূসকে প্রয়োজন হয়েছে।

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি ‘রেসিপ্রোকাল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট’ স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর আওতায় পোশাক রপ্তানিতে ট্যারিফ সুবিধা পাওয়ার বিনিময়ে বাংলাদেশকে প্রায় ২১.৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন পণ্য (বোয়িং বিমান, এলএনজি, গম, তুলা) ক্রয়ের বাধ্যবাধকতা মেনে নিতে হয়েছে।

এলএনজি আমদানির ক্ষেত্রে এক্সিলারেট এনার্জির সঙ্গে ১৫ বছর মেয়াদি চুক্তি করা হয়েছে, যেখানে গ্যাসের দাম স্পট মার্কেটের চেয়ে বেশি নির্ধারণ করা হয়েছে বলে সুস্পষ্ট তথ্য রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রস্তাবিত বা স্বাক্ষরিত বিভিন্ন বাণিজ্যচুক্তি, বিশেষ করে শুল্কমুক্ত সুবিধা হ্রাস বা অসম শর্তের কারণে দেশের অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাবের শঙ্কা রয়েছে।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছে, এ ধরনের চুক্তির ফলে বছরে এক হাজার ৩২৭ কোটি টাকা পর্যন্ত আয় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। মায়ানমারের রাখাইনে মালপত্র পাঠানোর অজুহাতে বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে মানবিক করিডর দেওয়ার পাঁয়তারা করা হলেও পরে তা বিতর্কের মুখে থেমে যায়।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনের কথা বললেও একজনও ফিরে যায়নি। বরং আরো অতিরিক্ত রোহিঙ্গা ঢুকেছে। জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনের (ইউএনএইচসিআর) সর্বশেষ তথ্য মতে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ২৮শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১৫ মাসে আরো এক লাখ ৪৪ হাজার ৪৫৬ জন রোহিঙ্গা দেশে ঢুকেছে।

শেখ হাসিনার সরকারের গৃহীত মেগা প্রজেক্টগুলোর ওপর প্রতিহিংসার খড়গ

শুধুমাত্র প্রতিহিংসার কারণে শেখ হাসিনার সরকারের গৃহীত অসংখ্য জনকল্যাণমূলক বৃহৎ প্রকল্প বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, কোনোটি সংশোধন করে কাটছাঁট করা হয়েছে।

মেট্রোরেলের একটি নতুন টার্মিনাল প্রথমে বন্ধ করে দিয়ে পরে প্রাক্কলিত ব্যয়ের চেয়ে অতিরিক্ত ব্যয়ে নতুন পক্ষকে কার্যাদেশ প্রমাণ এর মধ্যে একটি। ইপিআই প্রকল্পের একটি প্রোগ্রাম বন্ধ করে দেওয়ায় ইউনূস আমলে টিকাদান কর্মসূচি ছিল বন্ধ। যার খেসারাত দিচ্ছে বর্তমানে শিশুরা। টিকার অভাবে অসংখ্য শিশুর মৃত্যু ঘটেছে।

সবচেয়ে ব্যয়বহুল প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যৎ কেন্দ্রের উৎপাদনে যাওয়ার দিনক্ষণ পেছানো হয় অন্তর্বর্তী সরকারের সময়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে বেশ কয়েক মাস বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের নির্মাণকাজ বন্ধ থাকায় সেটি সম্ভব হয়নি। এত দিনে অন্তত ১ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত হলে এখন বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানি সাশ্রয় হতো।

শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালু করা হয়নি। এতেও রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হয়েছে। এক্সপ্রেসওয়ের কাজ থামিয়ে রাখা হয়েছে। এ রকম আরো বহু প্রকল্প থমকে যায় অন্তর্বর্তী সরকারের সময়।

ড. ইউনূসের এই আইয়ামে ইউনূসীয়া এদেশের সাধারণ মানুষের মনে এক ভয়ঙ্কর স্মৃতি হয়ে থাকবে বলে মনে করেন নেটিজেনরা।

Visited 13 times, 1 visit(s) today